২৬শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | বৃহস্পতিবার, ১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, হেমন্তকাল

সীমান্তে চড়ছে পারদ, যুদ্ধের দিকে যেতে পারে ভারত-চিন : বিশেষজ্ঞ

প্রকাশিতঃ সেপ্টেম্বর ৭, ২০২০, ৬:৩৩ পূর্বাহ্ণ



সীমান্তে চড়ছে পারদ, যুদ্ধের দিকে যেতে পারে ভারত-চিন : বিশেষজ্ঞ। ছবি সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:তবে কি আশঙ্কাই সত্যি হবে? গত কয়েক মাসের ঠান্ডা লড়াই কি তাহলে যুদ্ধের পরিণতি পাবে? প্রশ্ন বিশেষজ্ঞদের। তাঁদের মতে দীর্ঘদিন ধরেই দুই পক্ষ নরমে গরমে একে অপরকে বোঝাচ্ছে। সংঘাতও হয়েছে বার তিনেক। কিন্তু ধৈর্য্যের বাঁধ ভাঙতে কতদিন? ইচ্ছাকৃত না হলেও, যুদ্ধ বাঁধতে পারে ভারত চিনের মধ্যে, মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা।

একই মত যুদ্ধ বিশেষজ্ঞদেরও। তাঁদের দাবি পটভূমিকা বা যুদ্ধের ক্ষেত্র প্রস্তুত হচ্ছে ধীরে ধীরে। গত ৪৫ বছরে একাধিক মৌখিক বা লিখিত চুক্তির মাধ্যমে যে স্থিতাবস্থা নিয়ে এসেছে ভারত চিন, তা এক মুহুর্তে ভাঙতে পারে। লেফটেন্যান্ট জেনারেল ডি এস হুডা জানাচ্ছেন এই মুহুর্তে পরিস্থিতি বিপজ্জনক হয়ে রয়েছে। যে কোনও সময়ে তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে পারে।

ভারত কতটা প্রস্তুত যুদ্ধের পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে? এই প্রশ্নের উত্তরে সেনাপ্রধান জানিয়েছেন জওয়ানরা উদ্বুদ্ধ, তৈরি। কিন্তু মস্কোতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পরেও সুর নরম করেনি চিন। শনিবার চিন জানিয়েছে ভারত ও চিন, দুজনেই পরমাণু শক্তিধর দেশ। কিন্তু যুদ্ধ হলে চিনের কাছে পরাস্ত হওয়া ছাড়া ভারতের সামনে আর কোনও রাস্তা নেই। উল্লেখ্য শুক্রবার ২ ঘন্টা ২০ মিনিট ধরে বৈঠক চলে দুই দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর।

এদিন রাজনাথ বলেন আলোচনা চলছে। সেই পথেই বিশ্বাস রাখে ভারত। তবে কারোর উসকানিতে কান না দিলেও, তাকে যোগ্য জবাব দেওয়ার ক্ষমতা ভারতের রয়েছে। চিন যদি নিজেদের সেনা অবস্থান মেনে চলে, তবে ভারতও মানবে। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের স্বচ্ছতায় বিশ্বাসী ভারত। দেশ আশা করে তাদের প্রতিবেশিও একই পথে হাঁটবে।

গ্লোবাল টাইমস পরে জানায়, বেজিং আশা রাখে, দুই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বৈঠকে সদর্থক ফল বেরিয়ে আসবে। এই বৈঠক সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতেও সাহায্য করবে।

উল্লেখ্য বেজিংয়ের পেকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক ওয়াং লিয়ান জানান, দুই তরফই অনড়, ফলে অচলাবস্থা কাটছে না। সীমান্তে গভীর যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এর জেরে, যা কখনই কাম্য নয়। চিনা সেনাকে হঠিয়ে লাদাখে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে ভারত। সেটাই সহ্য হচ্ছে না চিনের।

তাদের দখলদারি মনোভাবকে ভারত এভাবে প্রতিহত করে এলাকার দখল নেবে, তা বুঝে উঠতে পারেনি চিন। ফলে এবার তর্জন গর্জন শুরু করেছে বেজিং। চিনা স্টেট মিডিয়া গ্লোবাল টাইমসের হুঁশিয়ারি সীমান্তে যে কৌশল শুরু করেছে ভারত, তাতে সংঘাত অনিবার্য। ফলে ভারত চিন সীমান্ত সংঘাতের পরিণতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিশেষজ্ঞদের মনে। সূত্র: কলকাতা

Leave a Reply

এই বিভাগের আরো খবর