১লা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | মঙ্গলবার, ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, হেমন্তকাল

সাহেদের রিমাণ্ড শুনানী ১০ আগষ্ট

প্রকাশিতঃ আগস্ট ৬, ২০২০, ৭:৪৬ অপরাহ্ণ | শেষ আপডেটঃ আগস্ট ৬, ২০২০, ১১:১২ অপরাহ্ণ




আদালত প্রতিবেদক
পদ্মা ব্যাংকের (সাবেক দি ফারমার্স ব্যাংক) অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ১০ দিনের রিমাণ্ড শুনানী হয়নি। বৃহস্পতিবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে রিমাণ্ডের আবেদন করেন। আদালত শুনানী শেষে সাহেব এর উপস্থিতিতে আগামী ১০ আগষ্ট পরবর্তী তারিখ শুনানীর জন্য ধার্য্য করেন।

গত ২৮ জুলাই সাহেদকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক মো. শাহজাহান মিঞা। আদালত ৫ আগস্ট তার গ্রেফতার দেখানোর বিষয়ে শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন। কিন্তু সাহেদ অন্য মামলায় রিমাণ্ডে থাকায় এ দিন গ্রেফতার দেখানোর আবেদনের শুনানি হয়নি। গ্রেফতার দেখানোর আবেদন ও দশ দিনের রিমাণ্ড শুনানির জন্য উপরোক্ত মর্মে তারিখ ধার্য্য করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ১১ জানুয়ারি থেকে ২১ জানুয়ারি সময়ে আসামিরা পারস্পরিক যোগসাজশে অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অর্থ স্থানান্তর, রূপান্তরের মাধ্যমে ঋণের নামে পদ্মা ব্যাংক লিমিটেডের গুলশান করপোরেট শাখার এক কোটি টাকা (যা সুদাসলসহ ১৫ জুলাই পর্যন্ত স্থিতি দুই কোটি ৭১ লাখ টাকা) আত্মসাৎ করেন। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ ধারায় মামলা হয়।

মামলার পদ্মা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী/অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতী, বকশীগঞ্জ জুট স্পিনার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রাশেদুল হক চিশতি, রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ এবং হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. ইব্রাহিম খলিলকে আসামি করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ১৫ জুলাই সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে সাহেদকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। পরে তাকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় আনা হয়। ১৬ জুলাই উত্তরা পশ্চিম থানার প্রতারণার মামলায় সাদেহের ১০ দিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ২৬ জুলাই উত্তরা পশ্চিম থানায় তিন ও উত্তরা পূর্ব থানায় প্রতারণার মামলায় সাত দিন করে ২৮ দিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর করেন আদালত। একই দিন সাতক্ষীরার অস্ত্র মামলায় তার দশ দিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর করা হয়।

Leave a Reply