২৭শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | শুক্রবার, ১২ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, হেমন্তকাল

সকলের জন্য ভ্যাকসিন নিশ্চিত করতে বিশ্ব নেতাদের গুরুত্বারোপ

প্রকাশিতঃ নভেম্বর ১৩, ২০২০, ২:৩৫ অপরাহ্ণ



সকলের জন্য ভ্যাকসিন নিশ্চিত করতে বিশ্ব নেতাদের গুরুত্বারোপ। ছবি প্রতীকী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইউরোপিয়ান এবং বিশ্ব নেতারা বৃহস্পতিবার জোর দিয়ে বলেছেন, কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন যখন কার্যকর হবে, অবশ্যই তা একটি আন্তর্জাতিক প্রকল্পের অধীনে সবার জন্য নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য এই প্রকল্পে বর্তমানে ২৮ বিলিয়ন ডলার অর্থায়ন প্রয়োজন।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ প্যারিস পিস ফোরামে বলেছেন, ‘আমরা যদি মানবতার কিছু অংশকে ত্যাগ করি তাহলে আমরা ভাইরাসকে পরাস্ত করতে পারবো না।’

এ জন্য তিনি ফোরামকে বলেন, বিশ্ব চায় বৈশ্বিক ইস্যুর সুনির্দিষ্ট সমাধান।

কোভিড-১৯ মহামারির বিপর্যয় লাঘবে উপায় খুঁজতে তৃতীয় পর্যায়ে এই ফোরাম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ১১ থেকে ১৩ নভেম্বর তিন দিনের এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের লক্ষ্য দরিদ্র দেশগুলোসহ বিশ্বের সকলের জন্য করোনাভাইরাস টেস্ট, চিকিৎসা ও ভ্যাকসিন সুবিধা নিশ্চিত করতে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের বেশী তহবিল সংগ্রহ।

ইউরোপ এবং ইউরোপের বাইরেও দ্রুত করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে, তবে করোনার কার্যকর ভ্যাকসিনের সম্ভাবনা এমনকি চলতি বছরের শেষ হওয়ার আগেই তা পাওয়ার আশা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র সরকারের শীর্ষ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা অ্যান্থনি ফাউসি বৃহস্পতিবার বলেছেন, করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন ‘ক্যাভারলি’ আসছে, একদিনে বিশ্বে রেকর্ড ১০ হাজারের বেশী মানুষের মৃত্যুর আতঙ্কের মধ্যে এই ভ্যাকসিন নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জায়ান্ট ওষুধ কোম্পানি ফাইজার এবং জার্মানির বায়োএনটেক ৯০ শতাংশ কার্যকর এই ভ্যাকসিন উদ্ভাবন করেছে।

প্যারিস পিস ফোরামের অনলাইন সম্মেলন আশা করছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এসিটি-এক্সিলেটর (এক্সেস টু কোভিড ১৯ টুলস এক্সিলেটর) প্রোগ্রামের অধীনে করোনার টেস্ট, চিকিৎসা ও ভ্যাকসিন নিশ্চিত করতে অনেক দেশ তহবিল ঘোষণা করবে।

সেপ্টেম্বরে জাতিসঙ্ঘের অনুমিত হিসাবে বলা হয়, আগামী বছরে ২শ’ কোটি ভ্যাকসিন ডোজ, ২৪৫ মিলিয়ন লোকের চিকিৎসা এবং ৫০০ মিলিয়ন লোকের টেস্টের জন্য এসিটি-এক্সিলেটরের ৩৮ বিলিয়ন ডলার চাহিদার বিপরীতে ঘোষিত তহবিলের পরিমাণ ৩ বিলিয়ন ডলার।

বৃহস্পতিবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রিয়েসিস বলেছেন, ২৮.৫ বিলিয়ন ডলারের ‘অর্থায়ন ঘাটতি’ রয়েছে এবং স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে জরুরি ৪.৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন। সূত্র: বাসস

Leave a Reply