২রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | বুধবার, ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, হেমন্তকাল

জনগণকে সম্পৃক্ত করেই লকডাউন বাস্তবায়ন করা হবে: মেয়র তাপস

প্রকাশিতঃ জুন ১৬, ২০২০, ৯:৩৩ অপরাহ্ণ



জনগণকে সম্পৃক্ত করেই লকডাউন বাস্তবায়ন করা হবে: মেয়র তাপস। ছবি সংগৃহীত

পঁচাওর রিপোর্ট:
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস মঙ্গলবার বলেছেন, জনগণকে সচেতন ও সম্পৃক্ত করেই আমরা লকডাউন বাস্তবায়নে যাবো। যাতে করে জনগণের কোনোরকম কষ্ট বা দুর্ভোগ না হয়, সেদিকটাকে প্রাধান্য দিয়েই আমরা ডিএসসিসিতে লকডাউন বাস্তবায়ন করব।

তিনি বলেন, ‘ওইসব এলাকায় যাতে করে সংক্রমণের হার না বাড়ে এবং এই সংক্রমণ ক্রমান্বয়ে কমিয়ে লকডাউন তুলে নেয়ার পর যাতে সে এলাকা গ্রিন জোন হিসেবে চিহ্নিত করা যায়, সেটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।’

নগর ভবনে কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণে জোনিং সিস্টেম বাস্তবায়ন বিষয়ক কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সমন্বয় সভা পরবর্তী ব্রিফিংকালে তিনি কথা বলেন।

তাপস এ সময় বলেন, ‘ডিএসসিসির আওতাধীন কোনো এলাকাকে এখন পর্যন্ত লকডাউন করা হয়নি। লকডাউন করার আগে আমরা এলাকাভিত্তিক সুনির্দিষ্ট ম্যাপিং এবং সে ম্যাপিং অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্থানীয় কাউন্সিলর, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা ও সমন্বয় করেই লকডাউন বাস্তবায়নে যাবো।’

তিনি আরও বলেন, কোভিড-১৯ সারাবিশ্ব থেকে চিরতরে চলে না যাওয়া পর্যন্ত এটি একটি আমাদের জীবনের অংশ হয়ে গেছে। তাই, আমাদেরকে লকডাউনে যেতে হচ্ছে। আমরা জানি লকডাউন কষ্টের কিন্তু আগামীর সুন্দর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে এবং এই সংক্রামক ব্যাধি হতে জনগণকে মুক্ত করতে, লকডাউন সফলভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য সবাইকে সাময়িক এই কষ্ট মেনে নেয়ার আহ্বান জানাই।

এদিকে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ৩৮৬২ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। মারা গেছেন সর্বোচ্চ ৫৩ জন।

কোভিড-১৯ সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) নাসিমা সুলতানা মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সর্বোচ্চ ১৭ হাজার ২১৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

নতুন আক্রান্তসহ এখন পর্যন্ত দেশে করোনার শিকার হয়েছেন ৯৪ হাজার ৪৮১ জন। আর মোট মারা গেছেন ১ হাজার ২৬২ জন।

করোনায় নতুন যে ৫৩ জন মারা গেছেন তাদের মধ্যে পুরুষ ৪৭ জন এবং নারী ছয়জন। আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

এদিকে, করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন আরও ২ হাজার ২৩৭ জন। এ নিয়ে দেশে মোট সুস্থ ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৬ হাজার ২৬৪ জন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৩৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ। ইউএনবি

Leave a Reply