২৮শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | শনিবার, ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, হেমন্তকাল

ঈদুল আযহার জামাতও মসজিদে হবে

প্রকাশিতঃ জুলাই ১২, ২০২০, ৭:১৪ অপরাহ্ণ | শেষ আপডেটঃ জুলাই ১২, ২০২০, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ



পঁচাত্তর রিপোর্ট
করোনা পরিস্থিতিতে আসন্ন ঈদুল আযহার নামাজের জামাত উন্মুক্ত স্থান বা ঈদগাহের পরিবর্তে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। দেশের প্রধান ঈদের জামাতও জাতীয় ঈদগাহের পরিবর্তে বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত হবে। রোববার ধর্ম মন্ত্রনালয় আয়োজিত ভার্চূয়াল আন্ত:মন্ত্রনালয় সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ধর্ম সচিব মো: নুরুল ইসলাম এতে সভাপত্বি করেন।

করোনা পরিস্থিতিতে এর আগে গত ঈদুল ফিতরের জামাতও উন্মুক্ত স্থান বা ঈদগাহের পরিবর্তে মসজিদে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়।

ধর্ম মন্ত্রনালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, করোনা ভাইরাস সংংক্রমণজনিত কারণে জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় পবিত্র ঈদুল আযহার নামাজের জামাত ঈদগাহ ও উন্মুক্ত স্থানের পরিবর্তে নিকটস্থ মসজিদে আদায়ের জন্য ধর্মপ্রাণ মুসল্লীদের অনুরোধ করা হয়েছে। এ বছর করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে ঈদের প্রধান জামাত জাতীয় ঈদগাহ এর পরিবর্তে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত হবে।

ঈদুল আযহা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি,প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশ্যে বাণী দেবেন। সরকারি-বেসরকারি ভবন এবং বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহে জাতীয়পতাকা উত্তোলন করা হবে এবং ঈদ মোবারক খচিত ব্যানার ঢাকা মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ ট্রাফিক আইল্যান্ড সমূহে প্রদর্শণ করা হবে। ঈদুল আযহা দিবাগত রাত্রিতে নির্দিষ্ট সরকারি ভবনসমূহ এবং সামরিক গুরুত্বপূর্ণ ভবনসমূহ আলোকসজ্জা করা হবে।

সারাদেশের বিভাগ, জেলা, উপজেলা, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বেসরকারী সংস্থাসমূহের প্রধানগণ জাতীয় কর্মসূচির আলোকে নিজ নিজও কর্মসূচি প্রণয়ক করেপবিত্র ঈদুল আজহ উদযাপন করবে। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার ও বেসরকারি গণমাধ্যমসমূহ যথাযথ গুরুত্ব সহকাওে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করবে এবং সংবাদপত্রসমূহে বিশেষ সংখ্যাপ্রকাশ করা হবে।

পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপন উপলক্ষে দেশের সকল হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, বৃদ্ধনিবাস, মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র সমূহে উন্নত মানের খাবার পরিবেশন এর ব্যবস্থা করা হবে।

বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনসমূহে যথাযথভাবে পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপন করা হবে। এ উপলক্ষে সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রক্ষার্থে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।কারবানি পরবর্তীতে কোরবানিকৃত পশুর রক্ত/বর্জ্য পদার্থ দ্বারা যাতে পরিবেশ দুর্গন্ধময় না হয় সে বিষয়ে সকল প্রকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ঈদুল আযহার পূর্ববর্তী জুমার খুতবায় এবিষয়ে মুসল্লিদের সচেতন করা হবে। এছাড়া বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ বিষয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা ও বিজ্ঞাপন প্রচার করা হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আনিস মাহমুদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাস্ট্র, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়, তথ্য, জনপ্রশাসন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় , ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর সংস্থার প্রতিনিধিগণ এ ভার্চুয়াল সভায় অংশ গ্রহণ করেন।

মাওলানা ফরিদ উদ্দিন মাসউদ, মুফতি রুহুল আমিন, মাওলানা আনাস মাদানী, মুফতি দিলাওয়ার হোসাইন, মাওলা নুরুল আমিন, হাফেজ মাওলানা আব্দুল আলিম রিজভী, মুফতি মাওলানা সাজিদুর রহমান, মাওলানা ড. কাফিলুদ্দীন সরকার সালেহী, মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, মাওলানা মোসাদ্দিক বিল্লাহ আল মাদানী প্রমুখ বিভিন্ন স্থান থেকে এ ভার্চুয়াল সভায় অংশ গ্রহণ করেন।

Leave a Reply